ভ’য়া’বহ সড়ক দু র্ঘ টনার কবলে চিত্রনায়ক রুবেল, দু’মড়ে মুচ ড়ে গেছে প্রাইভেটকার

ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক মাসুম পারভেজ রুবেল মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। শনিবার (১৬ নভেম্বর) সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সমাদ্দার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তার ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি ভয়াবহভাবে দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এ ঘটনায় রুবেলসহ আহত হয়েছেন আরও আটজন। স্থানীয় সাংবাদিকরা দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চিত্রনায়ক রুবেল বড় ভাই সোহেল রানার হাত ধরে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। ১৯৮৬ সালে পরিচালক শহীদুল ইসলাম খোকনের পরিচালনায় মুক্তি পাওয়া লড়াকু সিনেমার মাধ্যমে তার অভিনয়জীবনের শুরু। প্রথম সিনেমাই ছিল বাণিজ্যিকভাবে সফল, যা তাকে রাতারাতি জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দেয়।

এরপর রুবেল অভিনীত মায়ের জন্য যুদ্ধ, বিচ্ছু বাহিনী, মুখোশসহ আড়াই শতাধিক সিনেমা দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়। তার ক্যারিয়ারের অধিকাংশ সিনেমা ছিল বক্স অফিস হিট। মার্শাল আর্টে পারদর্শী এই অভিনেতা নিজেকে এক সময়ের অ্যাকশন হিরো হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

সড়ক দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তার ভক্ত ও সহকর্মীরা দ্রুত তার সুস্থতা কামনা করছেন।


‘অন্তবর্তীকালীন সরকার ভারতীয় প্রেসক্রিপশনে চলা শুরু করেছেন’ (ভিডিওসহ)

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান অভিযোগ করেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভারতীয় প্রেসক্রিপশনে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণের বদলে বর্তমান সরকার এমন একটি কাঠামো তৈরি করেছে, যেখানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অনুগতদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রেখে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে।”

রাজধানীর এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “যারা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত হয়ে পা, হাত বা চোখ হারিয়েছে, তারা সুচিকিৎসার অভাবে রাজপথে নেমেছে। অথচ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। এর মাধ্যমে তাদের মানবিক দায়িত্বের চরম ব্যর্থতা প্রকাশ পেয়েছে।”

রাশেদ প্রধান আরও অভিযোগ করেন, “প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সঠিক রোডম্যাপ ও নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণে ব্যর্থ। কারণ সরকারি প্রশাসন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বসানো হয়েছে। এতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “আমরা ভারতীয় প্রেসক্রিপশনের ভিত্তিতে সরকার গঠনের তীব্র বিরোধিতা করি। আমাদের লক্ষ্য হলো জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষা করে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন করা। এজন্য দ্রুত রোডম্যাপ ঘোষণা করে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সময়ক্ষেপণ করে এবং আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চালায়, তবে জনগণ বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমে প্রতিরোধ করবে। আন্দোলন শুরু হয়েছে, এবং ভোটাধিকারের আগ পর্যন্ত তা চলবে ইনশাল্লাহ।”