মিথিলা-সৌরভের ২ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের ভিডিও ভাইরাল

বাংলাদেশি অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার অভিনীত বহুল আলোচিত ওয়েব সিরিজ ‘মন্টু পাইলট ২’ এর ট্রেলার প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে সৌরভ দাসের সঙ্গে তার অভিনয় নজর কেড়েছে। প্রায় আড়াই মিনিটের এই ট্রেলারে, মিথিলা ও সৌরভ এমনভাবে অভিনয়ের দ্যুতি ছড়িয়েছেন যা দর্শকদের রোমাঞ্চিত করেছে।

নীলকুঠি যৌনপল্লির দরজায় একজন মন্টু পাইলট। তার কোলে অজ্ঞান-নিস্তেজ এক নারী। সৌরভ বললেন, শ্মশানের রাস্তা খুঁজতে খুঁজতে এখানে চলে এলাম।

একটু খেয়াল করলে বোঝা যায়, ওই নারী আসলে রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। বাংলাদেশের এই অভিনেত্রী কলকাতার বহুল আলোচিত ওয়েব সিরিজ ‘মন্টু পাইলট ২’তে কাজ করেছেন। সেটার ট্রেলারই প্রকাশ্যে এসেছে আজ।

আড়াই মিনিটের এই ট্রেলারে চমকে দিয়েছেন মিথিলা ও সৌরভ। মন্টু চরিত্রে আগের মতোই অনবদ্য অভিনয় করেছেন সৌরভ। কখনো এক সাধারণ পিতার ভূমিকায়, যে নিজের মেয়েকে ভীষণ ভালোবাসে। আবার কখনো যৌনপল্লির দুর্ধর্ষ দালাল হয়ে অভিনয়ের দ্যুতি ছড়িয়েছেন।

অন্যদিকে মিথিলা ঘটনাক্রমে এসে পৌঁছান নীলকুঠি যৌনপল্লিতে। তাকে জোর করে সেখানে আটকে রাখা হয়। শারীরিক নির্যাতনও করা হয়। এরপর সেখানেই নিজেকে মানিয়ে

নেওয়ার চেষ্টা করেন মিথিলা। নীলকুঠির গল্পে নতুন এই মোড় শেষ পর্যন্ত কোনদিকে যায়, তা অবশ্য এখনই বোঝা যায়নি। পুরো সিরিজটি দেখার মাধ্যমে পরিষ্কার হবে।

প্রথম সিজনের মতো দ্বিতীয় সিজনও পরিচালনা করেছেন দেবালয় ভট্টাচার্য। আগের সিজনে শোলাঙ্কি রায়ের বিপরীতে সৌরভ দাসের রসায়ন ছিল চোখে পড়ার মতো, এবার মিথিলার সঙ্গে তার কেমিস্ট্রি কীভাবে ফুটে উঠেছে তা দেখার অপেক্ষায় আছেন ভক্তরা।

আগামী ২৯ এপ্রিল হইচই-এ মুক্তি পাবে ‘মন্টু পাইলট ২’, যেখানে সৌরভ এবং মিথিলার অভিনয় নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন স্কিম: মোবাইলের মাধ্যমে পাওয়া যাবে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা

মোবাইল ফোনে সহজে ঋণ দিতে ১০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ‘ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ’ নামে এই তহবিল থেকে গ্রাহকরা সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধান ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

এতে বলা হয়েছে, সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গঠনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণের সহজলভ্যতা, ব্যাংকসমূহকে উৎসাহ প্রদান ও ব্যাংকের তহবিল ব্যয় হ্রাস করে স্বল্প সুদ বা মুনাফায় ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ দিতে ১০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করা হয়েছে। স্কিমের নাম ‘ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ’। এ তহবিল থেকে ডিজিটাল মাধ্যম (ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপস, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ই-ওয়ালেট ইত্যাদি) ব্যবহার করে তফসিলি ব্যাংক থেকে ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে গঠিত এই প্রকল্পের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা। মেয়াদ হবে ৩ বছর। প্রথম ধাপে ৫০ কোটি টাকা দেওয়া হবে। ঋণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার সাপেক্ষে দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ৫০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা প্রদান করা হবে। ভবিষ্যতে চাহিদা বিবেচনা করে পুনঃঅর্থায়নের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তফসিলি ব্যাঙ্কগুলি এই তহবিল থেকে টাকা তুলতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারিকৃত চার্জের তফসিল সম্পর্কিত বিদ্যমান নীতিমালায় উল্লিখিত চার্জ বা ফি ছাড়া ব্যাংক গ্রাহকের কাছ থেকে অন্য কোনো ধরনের চার্জ বা ফি আদায় করতে পারবে না। ব্যাংক ও গ্রাহক উভয় পর্যায়েই ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ৬ মাস। বিতরণকারী ব্যাংক গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণকৃত ঋণ সংগ্রহের সকল দায়িত্ব বহন করবে।

উল্লেখ্য, এই স্কিম সম্পর্কে গত ২ জুন ২০২৪-এ বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে। সরকার পতনের এ স্কিমের বিষয়ে আর কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।