স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রী, বিয়ে নিয়ে যা বললেন প্রেমিক

ভারতীয় টেলিভিশন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিনা খান স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে হিনার ক্যান্সার স্টেজে ‘থ্রি’। যার কারণে অভিনেত্রীকে নিয়ে বেশ চিন্তিত তার ভক্তরা।

গত ১১ বছর ধরে রকি জয়সওয়ালের সঙ্গে ডেট করছেন হিনা। দম্পতি এখনও বিয়ে করেননি। এই অভিনেত্রীর ক্যান্সার ধরা পড়ার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে, তাদের সম্পর্ক কি একই রকম থাকবে? হিনাকে বিয়ে করবে রকি?

বিষয়টি নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন অভিনেত্রীর প্রেমিক। রকির মতে, হিনার সঙ্গে তার সম্পর্ক এতটা দূর্বল নয় যে ক্যান্সার তা ভেঙে দেবে।

এই যুবক বলেছিলেন যে হিনা সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করবেন। তাদের বিয়ে করার কোনো তাড়া নেই। আপাতত,হিনার সুস্থতার জন্য অপেক্ষা করছেন তিনি। রকি আরও বলেন, তারা একসঙ্গে ছিলেন এবং একসঙ্গেই থাকবেন।

হিনার প্রতি রকির গভীর ভালোবাসা দেখে নেটিজেনরাও মুগ্ধ। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী,হিনা-রকির আলাপ হয়েছিল জনপ্রিয় টিভি শো ‘ইয়ে রিশতা কেয়া কেহলাতা হ্যায়’-এর সেটে। এই শোতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন হিনা। আর রকি ছিলেন ওই শোয়ের সুপারভাইজিং প্রোডিউসার। সেখান থেকেই দুজনের প্রেমের সফর শুরু হয়।

দুজনেই বহুবার প্রকাশ করেছেন তাদের অন্তহীন ভালোবাসা। এক সাক্ষাৎকারে রকি জানান, হিনার সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে তিনি খুশি।

অন্যদিকে, রকিকে কবে বিয়ে করবেন পিঙ্কভিলার প্রশ্নের জবাবে হিনা বলেন, আমরা দুজনেই মানসিকভাবে স্বামী-স্ত্রীর মতো। তাই আমাদের শো-অফের দরকার নেই।

বর্তমানে হিনা চিকিৎসাধীন। সম্প্রতি তিনি কেমোথেরাপি শুরু করেছেন। প্রতি মুহূর্তে রোগের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করছেন অভিনেত্রী।


এক বুক জালা নিয়ে চলে গেলেন আঁখি, সেদিন রাতে বাবা’কে ফোন দিয়ে যে অনুরোধ করেছিল মেয়ে

লালমনিরহাটের আদিতামারী থেকে নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৬ জুলাই) সকালে উপজেলার পশ্চিমপাড়া গ্রামের শ্বশুর বাড়ি থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত কনের নাম আঁখি মনি (১৭)। তিনি ওই এলাকার সৌদি প্রবাসী শাকিল মিয়ার স্ত্রী। আঁখি লালমনিরহাট পৌরসভার দক্ষিণ ত্রিশ হাজারী এলাকার আইনুল হকের মেয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১০ মাস আগে ভিডিও কলের মাধ্যমে সৌদি আরব প্রবাসী শাকিল মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় আঁখি মনির। প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতেও পরিবারের সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া শেষে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন আঁখি। শনিবার সকালে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে আদিতামারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে আঁখির শয়ন কক্ষে খণ্ড খণ্ড চিরকুট পাওয়া যায়। খণ্ড খণ্ড চিরকুট মিলিয়ে দেখা যায়, এতে লেখা রয়েছে, ‘আব্বু-আব্বু তোমরা আমাকে ক্ষমা করো। তোমরা আমাকে আগামীকাল সকাল ১১টায় নিয়ে যাবা, আমার জীবনে কিছু নেই তোমরা আমাকে ক্ষমা করো।’

আঁখির বাবা আইনুল হক বলেন, “আমার মেয়ে রাতে ফোন করে শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের কথা জানায়। রাতে নিয়ে আসতে বলে। আমি বলেছিলাম সকালে আনতে যাব। তার আগেই আমার মেয়ে মারা গেছে। নির্যাতনের পর সে আত্মহত্যা করেছে আমি এর বিচার চাই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আখির শ্বশুর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ উন নবী বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে আঁখি আত্মহত্যা করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, তবে মরদেহ মর্গে নিয়ে না কাটার অনুরোধ জানায়। এ ঘটনায় আঁখির পরিবার তার শ্বশুর–শাশুড়ির বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ করেছেন।