Friday , July 12 2024
Breaking News
Home / Entertainment / মেয়ে ফাইজাকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মৌসুমী, ভিসা মেলেনি সানীর

মেয়ে ফাইজাকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মৌসুমী, ভিসা মেলেনি সানীর

ঢাকাই চলচ্চিত্রের অত্যন্ত গুণী একজন অভিনেত্রী আরিফা পারভিন জামান মৌসুমী। তবে ভক্তদের মাঝে ‘মৌসুমী’ নামেই অধিক পরিচিতি লাভ করেছেন তিনি। এদিকে গত বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) রাতে একমাত্র মেয়ে ফাইজাকে সঙ্গে নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে দেশত্যাগ করেন তিনি।

তবে হঠাই কেন যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন? এ নিয়েও ভক্তদের মাঝে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।

তবে আর দেরি নয়, এবার জানা যাক সে কারন।

জানা গেছে, অভিনেত্রীর একমাত্র মেয়ে ফাইজা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। আগামী ২৯ অক্টোবর তার ১৮ বছর পূর্ণ হবে। এরপর সে নাগরিক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের আইডি কার্ড এবং অন্য কাগজপত্রের জন্য আবেদন করতে পারবে। মূলত সে কাজটি করার জন্যই মেয়েকে নিয়ে সেখানে উড়াল দিয়েছেন মৌসুমী। গণমাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মৌসুমীর স্বামী চলচ্চিত্র অভিনেতা ওমর সানী।

প্রায় ২০ দিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকবেন মৌসুমী। এই সময়টায় মেয়ের আইডি কার্ডসহ কাগজপত্রের জন্য আবেদনের পাশাপাশি তাকে সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির বিষয়ে খোঁজ-খবর নেবেন। এছাড়া সেখানে বসবাস করা মা-বোনসহ অন্য আত্মীয়দের সঙ্গে সময় কাটাবেন।

ওমর সানী আরও জানান, তার নিজেরও এই সময় স্ত্রী-কন্যার সঙ্গে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু ভিসা জটিলতায় তিনি যেতে পারছেন না। ফলে আগামী ৩ নভেম্বর মৌসুমীর জন্মদিনেও পাশে থাকা হবে না তার। যুক্তরাষ্ট্রে মেয়ে এবং অন্য আত্মীয়দের সঙ্গে এবারের জন্মদিন পালন করবেন মৌসুমী। এছাড়া নিজের ব্যক্তিগত কিছু কাজও সেখান থেকে সারতে পারেন প্রিয়দর্শিনী এই নায়িকা।

 

প্রসঙ্গত, এক সঙ্গে অভিনয়ের সূত্র ধরেই পরিচয় ঘটে সানী-মৌসুমীর। অতঃপর ১৯৯৬ সালে বেশ জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। বর্তমানে দুই সন্তানের অভিভাবক তারা। স্বামী-সন্তান নিয়ে দাম্পত্য জীবনে বেশ সুখেই রয়েছেন মৌসুমী।

About

Check Also

সামালোচনার মুখে পড়ে অবশেষে বিসিএস পরীক্ষা নিয়ে মুখ খুললেন তাহসান

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রশ্নপত্র ফাঁস কেলেঙ্কারি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা হচ্ছে। হঠাৎ করেই দুর্নীতিবাজদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *