Friday , July 19 2024
Breaking News
Home / Countrywide / গুণ্ডা শালা বলে গালি, দুই চেয়ারম্যানের মধ্যে হাতাহাতি

গুণ্ডা শালা বলে গালি, দুই চেয়ারম্যানের মধ্যে হাতাহাতি

একে-অপরকে ‘গুণ্ডা শালা’ বলে গালি দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যানের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) এ ঘটানটি ঘটেছে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে। তবে বিষয়টি বুঝতে পেরে ততক্ষণাৎ দুজনকেই নিবৃত্ত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। কিন্তু এ ঘটনায় পরবর্তীতে বড় কোনো সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

জানা গেছে, ঘটনার পর উপজেলা পরিষদ চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুপুরে হাটবাজারের টেন্ডার সংক্রান্ত কাজে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আসেন কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার। তিনি ইউএনওর অফিস সহকারী নুরুল হকের কক্ষে কাজ করছিলেন।

এমন সময় ওই অফিস কক্ষের সামনে দিয়ে দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এএনএম জাহাঙ্গীর হোসেন ইউএনওর কাছে যাওয়ার সময় একে-অপরকে ‘গুণ্ডা শালা’ বলে সংবোধন করেন। তখন এ বিষয় নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা, হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে।

এদিকে দুপুর ২টায় উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় জনতা ভবনে চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইউএনও অফিসে কাজ করার সময় চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আমাকে ‘গুণ্ডা শালা’ বলে গালি দিয়েছে। জাহাঙ্গীর ও তার লোকজন মামার উদ্দেশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে, চাকু দিয়ে আমাকে আঘাত করেছে। অল্পের জন্য আমি প্রাণে রক্ষা পেয়েছি। জাহাঙ্গীর ও তার পালিত সন্ত্রাসী রাছেল, দিদার, মনির ও তাহেরসহ ৭/৮ জন আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। সবকিছু ইউএনও অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ দেখলে সত্যতা পাবেন। আমি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমি চেয়ারম্যান শাহিনকে দেখে প্রথমে সালাম দেই। উত্তরে সে আমাকে ‘গুণ্ডা শালা’ বলেছে। এরপর যা হয়েছে তা আপনি ইউএনও সাহেবের কাছ থেকে জেনে নিন।

তিনি বলেন, সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান শাহিন যা বলেছেন তা মিথ্যা ভিত্তিহীন। নিজের দোষ ঢাকতে গিয়ে চেয়ারম্যান শাহিন মিথ্যাচার করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল আমিন বলেন, হৈ চৈ শুনে আমি সেখানে গিয়ে দুই চেয়ারম্যানকে নিবৃত করি।

এদিকে এ ব্যাপারে বাউফল থানার ওসি আল মামুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, দুই চেয়ারম্যানের মধ্যে ঘটে যাওয়া এ বিষয়টির সঙ্গে এরই মধ্যে তিনি অবগত হয়েছেন। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি তিনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

About

Check Also

ধোঁয়া আর বারুদের গন্ধে উত্তপ্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জ্যাব) কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। শিক্ষার্থীরাও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *