আ. লীগ নিষিদ্ধের ইস্যু জিইয়ে রেখে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়া হচ্ছে: রাশেদ খাঁন

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ইস্যু জিইয়ে রেখে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।

রোববার (২৩ মার্চ) দুপুরে তার ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ মন্তব্য করেন।

স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন লেখেন, আ.লীগকে নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রধান উপদেষ্টাকে জাতীয় সংলাপ ডাকার আহ্বান করছি। প্রধান উপদেষ্টা যদি আগামীকালই এই সংলাপ ডাকেন, আগামীকালই আ.লীগ নিষিদ্ধ হবে। এখন কথা হলো, সেই সংলাপ কি ডাকা হবে?

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে দুজন ছাত্র উপদেষ্টা আছে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, তারা (ছাত্র উপদেষ্টারা) সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টাদের সঙ্গে কথা বলে সংলাপ ডাকতে চাপ প্রয়োগ করুক। যদি তাদের কথা না শোনে, তাহলে পদত্যাগ করে জনতার কাতারে আসুক। তারপর জনগণ সরকারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। প্রয়োজনে এই সরকার বিলুপ্ত করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার আ.লীগকে নিষিদ্ধ করতে বাধ্য থাকবে। সত্যিই যদি আ.লীগকে সত্যিই নিষিদ্ধ চান, তবে জাতীয় সংলাপ ডাকতেই হবে এবং এক্ষেত্রে মূল ভূমিকা রাখতে হবে ছাত্র উপদেষ্টাদের।

রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, আমি দৃঢ় বিশ্বাস করি, কোনো দল পাবলিক সেন্টিমেন্টের বিরুদ্ধে গিয়ে বলতে পারবে না, আ.লীগকে নিষিদ্ধ চায় না। সুতরাং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় সংলাপের মাধ্যমেই নিষিদ্ধ হোক গণহত্যাকারী দল আ.লীগ। আ.লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও সরকারি সিদ্ধান্তের বিষয় এবং সেটির আয়োজক হতে হবে সরকারকে। আর যদি সেটি না হয় আ.লীগ পুনর্বাসনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আজীবন থেকে যাবে দায়ী। দ্রুত সময়ের মধ্যে যদি নিষিদ্ধ ইস্যুটা সমাধান না করা হয়, তাহলে ধরে নেব নিষিদ্ধের ইস্যু জিইয়ে রেখে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়া হচ্ছে!


গ্রেপ্তার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আহ্বায়ক আক্তার, জানা গেল কারন

জাতীয় নাগরিক দলের (এনসিপি) ইফতার মাহফিলে নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারি ও হাতাহাতির ঘটনায় সিলেট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আখতার হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (২৩ মার্চ) সকালে সদর উপজেলার আউশা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মো. সাইফুল ইসলাম গনমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃত আখতার হোসেন জালালাবাদ থানার আউশা গ্রামের আব্দুল মনিরের ছেলে। তিনি মামলার তৃতীয় আসামি।

জানা গেছে, , শনিবার (২২ মার্চ) বিকেলে নগরীর বালুচর এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে সিলেট জেলা এনসিপির উদ্যোগে জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্য, পেশাজীবী, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ইফতার মাহফিলে নেতাকর্মীদের মধ্যে হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতা মাহবুব রহমান শান্তর দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ৭ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন।

শাহপরান থানার ওসি মো. মনির হোসেন কালবেলাকে জানান, এনসিপির ইফতার মাহফিলে নেতাকর্মীদের মধ্যে হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনায় সিলেটের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আখতার হোসেনকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন। বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।