আন্দোলনকারীদের সাথে এবার কাঁধে কাঁধ মেলাবে বিএনপি, সকল নেতা-কর্মীদের মাঠে নামার আহ্বান ফখরুলের

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা একতরফা দাবিতে পূর্ণ একাত্মতা ঘোষণা করে মাঠে নামার জন্য বিএনপির নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার (৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জনতার ডাকা এক দফা ঘোষণার সঙ্গে পূর্ণ একাত্মতা ঘোষণা করছে। জাতির এ চরম ক্রান্তিলগ্নে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের সব নেতাকর্মীকে রাজপথে নেমে এসে জনতার সঙ্গে একাত্ম হয়ে গণহত্যাকারী, স্বৈরাচারী সরকারের পতন সফল করতে অসহযোগ আন্দোলন সফল করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, শত শহীদের রক্ত ​​বৃথা যাবে না, ইনশাআল্লাহ ছাত্রদের জয় হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ তীব্র আন্দোলনে পতন নিশ্চিত জেনে আবারও সংঘাত ও সন্ত্রাসের আশ্রয় নিয়েছে। গত রাত থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। চট্টগ্রামে বিএনপি নেতাদের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।


পুড়ছে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, জানা গেল সর্বোশেষ অবস্থা

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভাংচুর ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দুর্বৃত্তরা চিকিৎসা কেন্দ্রের ভেতরে থাকা গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

রোববার (৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি কার্যালয়ের সামনে একটি গাড়িতে আগুন দেয় তারা।

জানা গেছে, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে আন্দোলনকারীরা অবস্থান নেন। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা হাসপাতালে প্রবেশ করলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর বিক্ষুব্ধ জনতা হাসপাতাল ভবনের নিচতলায় মার্কেটের ভেতর থেকে একটি মোটরসাইকেল বের করে আগুন ধরিয়ে দেয়।

শাহবাগে একদল আন্দোলনরত শিক্ষার্থী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্লকের গেট থেকে প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে। ভেতরে ঢুকে প্রথমে পার্কিং লটে থাকা সব গাড়ি ভাঙচুর করে তারপর ব্লকে ঢুকে পড়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মচারীরা আতঙ্কিত হয়ে যে যেখানে পারেন আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ের কর্মচারীসহ অনেকেই পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। বিশ্ববিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া অনেকেই এই প্রতিবেদককে বলেন, তারা বের হতে পারছেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, হামলাকারী শিক্ষার্থীরা কেউই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ছিল না। হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত তা এখনই স্পষ্ট বলা যাচ্ছে না।