বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার ভীতি সৃষ্টি করে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করছে। এখন পালানোর উপায় নেই, সরকারের সময় শেষ। বর্তমান সংসদই সরকারের শেষ সংসদ।
সরকারের উদ্দেশ্য খারাপ দাবি করে তিনি বলেন, ১০ ডিসেম্বরের আগে বিনা উসকানিতে ৭ ডিসেম্বর যা করা হয়েছিল তা সবার মনে আছে। এই সরকার বর্তমান সংসদকে ব্যবহার করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করতে পারে, অন্যথায় সব দায় সরকারকেই নিতে হবে। সরকার চায় না বিরোধী দল নির্বাচনে আসুক।
তিনি বলেন,
ক্ষমতাসীনরা কিছু হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হু/মকি দিচ্ছেন, এভাবে উসকানি দিচ্ছেন। এসব কারণে এখন সরকারি দলের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া উচিত। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, মামলা ও হু/মকির কারণে।
মির্জা ফখরুল দাবি করেন, ১৮ তারিখের সমাবেশে ৪৭টি মামলা হয়েছে এবং প্রায় ৪৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সরকার বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করে আনুষ্ঠানিক রায় দিচ্ছে। তারা সারাদেশে শাস্তি দেওয়ার চক্রান্তে কাজ করছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের অবৈধ দাবি করে বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন,
বিরোধী দলকে নির্মূল করতে জনগণকে দ/মন করতে তারা নি/র্যাতন করছে। একদিকে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি দেশের অর্থনীতিকে ধ্বং/সের দিকে নিয়ে গেছে।
বর্তমান সরকার গণতন্ত্র, সংবিধান ও অর্থনীতি ধ্বং/স করেছে। এই সরকার আবারো একতরফা নির্বাচনের হু/মকি দিচ্ছে। মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, খালেদা জিয়াকে বেআইনিভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে এবং তাকে ন্যূনতম চিকিৎসাও দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন,
সরকার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে আদালত ব্যবহার করছে। আমাদের অন্য কোন দফা নেই। আমাদের বক্তব্য এই সরকারের পতন। দেশের জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে। সারা বিশ্বের গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষ একই কথা বলছে বাংলাদেশে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে।