এবার ঈদে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বিশাল সুখবর

আসন্ন ঈদুল ফিতরের পাঁচ দিনের ছুটির সঙ্গে ৩ এপ্রিলও (বৃহস্পতিবার) নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

বুধবার (১৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করা হলে সপ্তাহিক ছুটি মিলে ২৮ মার্চ (শুক্রবার) থেকে ৫ এপ্রিল (শনিবার) পর্যন্ত টানা ৯ দিন ছুটি কাটাতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

এ ছাড়া ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের সরকারি ছুটি রয়েছে। ২৭ মার্চ (বৃহস্পতিবার) কর্মদিবসে ঐচ্ছিক ছুটি নিলে ২৬ মার্চ থেকে ১১ দিনের টানা ছুটি কাটাতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

ছুটির বিধিমালা অনুযায়ী, দুই ছুটির মাঝে নৈমিত্তিক ছুটি নেওয়ার নিয়ম নেই। দুই দিন নিলে তা টানা ছুটি হয়ে যাবে। অবশ্য দুই ছুটির মাঝখানে ঐচ্ছিক ছুটি নিলে শুধু ওই দিনই ছুটি হিসেবে গণ্য হয়। এ ধরনের ছুটি সাধারণত একজন চাকরিজীবী এক বছরে সর্বোচ্চ তিন দিন নিতে পারেন।

২৬ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত এই ১১ দিনের মধ্যে কর্মদিবস মাত্র ২ দিন (২৭ মার্চ ও ৩ এপ্রিল)। এর মধ্যে ৩ এপ্রিল নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হলে ২৭ মার্চ একদিন ঐচ্ছিক ছুটি নিলেই ঈদুল ফিতরে টানা ১১ দিনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।


ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে যা বললেন আসিফ মাহমুদ

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রশাসক নিয়োগের কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

বুধবার (১৯ মার্চ) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার যাচাইকৃত পেজে পোস্ট করা এক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে ওয়ার্ড প্রশাসক নিয়োগের কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়টি এখনও সরকারের বিবেচনাধীন।

অতএব, নির্বাচনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার আগে প্রশাসক নিয়োগের প্রশ্নটি অপ্রাসঙ্গিক।

তিনি বলেন, বিভিন্ন দৈনন্দিন পরিষেবার জন্য জনগণ স্থানীয় সরকারের উপর নির্ভরশীল। সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, শহর ও পৌর ওয়ার্ডে জনপ্রতিনিধি না থাকার কারণে এই পরিষেবাগুলি ব্যাহত হচ্ছে। তাই জনগণের দৈনন্দিন দুর্ভোগ নিরসনের জন্য আমি বারবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কথা বলছি।

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা বলেন, প্রশাসক নিয়োগের বিষয়ে সরকার এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। প্রকৃত জনপ্রতিনিধিদের দিয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার পরিচালনা করাই উত্তম।