Friday , June 21 2024
Breaking News
Home / Entertainment / পূজামণ্ডপে নেচে উৎসাহ দিলেন ফেরদৌস, বললেন এখানে এসে খুব ইমোশনাল হয়ে পড়েছি

পূজামণ্ডপে নেচে উৎসাহ দিলেন ফেরদৌস, বললেন এখানে এসে খুব ইমোশনাল হয়ে পড়েছি

দেখতে না দেখতেই শুরু হয়ে গেছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। বাইরে উঁকি দিলেই পাওয়া যাচ্ছে এ উৎসবের আমেজ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি এ উৎসবে মেতেছেন বহু তারকারাও। আর এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন ঢাকাই সিনেমার বেশ গুণী একজন অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ।

জানা যায়, পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় নৃত্যশিল্পীদের সঙ্গে নেচে তাদের উৎসাহ দিয়েছেন তিনি। তার নাচ ও বক্তব্য উপস্থিত দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এসময় তার সহপাঠী ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াও তার নাচ উপভোগ করেন।

এ সময় ফেরদৌস বলেন, এখানে এসে আমি খুব ইমোশনাল হয়ে পড়েছি। আমার সেই ছোট বেলার স্মৃতিতে চলে গিয়েছিলাম। বিশ্বাসই হচ্ছিল না আমি আজকে নারায়ণগঞ্জ আসবো। আমার বন্ধু ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াকে ধন্যবাদ। আসলে ও মাঝে মধ্যে এমন সব কাজ করে আমি বিস্মিত হয়ে যাই। যেমন আজকে বলল তোকে একটা পূজায় নিয়ে যাবো। আমাকে বলেনি কোথায়। বিকাল থেকেই সে প্রচন্ড ব্যস্ত নির্বাচন নিয়ে।

তিনি আরও বলেন, আমার ছোট বেলার শহর। অত্যন্ত প্রাণের শহর। আমার বেড়ে ওঠার সঙ্গে আজকে আমি ফেরদৌস হওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে এ শহর। কারণ শিল্প সংস্কৃতির দিক দিয়ে নারায়ণগঞ্জ অনেক ধনী। নারায়ণগঞ্জের মানুষ ভীষণ সংস্কৃতমনা। আমি নিজেও ছোটবেলায় বুঝতাম না হিন্দু, মুসলমানের কী তফাত। ঈদে আমার হিন্দু বন্ধুরা আমাদের বাড়িতে আসতো পূজায় আমরা তাদের বাড়িতে যেতাম। আমরা বিশ্বাস করি ধর্ম যার যার উৎসব সবার।

 

এদিকে করোনা সংক্রমনের ফলে বেশকিছু দিন গৃহবন্দী থাকার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতেই আবারো কাজে মনোযোগী হয়েছেন গুণী এই অভিনেতা। জানা গেছে, বর্তমানে তার হাতে রয়েছে ৮টি সিনেমা। এরই মধ্যে তিনটি সিনেমার কাজও শেষ করেছেন ফেরদৌস। এু মুহুর্তে বাকি সিনেমার শুটিং নিয়ে বেশ ব্যস্ট সময় পার করছেন তিনি।

About

Check Also

হঠাৎ না ফেরার দেশে জনপ্রিয় অভিনেতা, শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া

না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা পার্থসারথি দেব। শুক্রবার (২২ মার্চ) কলকাতার বাঙ্গুর হাসপাতালে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *