Wednesday , April 17 2024
Breaking News
Home / International / বাবাকে দেখেই চিৎকার, পাইলটের আসনে তাকিয়ে খুদে যাত্রীর উল্লাস

বাবাকে দেখেই চিৎকার, পাইলটের আসনে তাকিয়ে খুদে যাত্রীর উল্লাস

বিমান আকাশে উড়তে দেখে নিচ থেকে অনেকেরই কৌতুহলবসত জানতে ইচ্ছা করে, একজন মানুষ পাইলটের আসনে বসে কিভাবে শত শত যাত্রী নিজে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় উড়ে যায়! আর সেই সুবাদে ছোট্ট শানায়া মোতিহারের বেলায়ও এর ব্যতিক্রম নয়। বিমান নিয়ে নানা কৌতুহল রয়েছে তারও। আর তাই বাবার মুখ থেকে বিমানের গল্প অনেক শুনেছে সে।

কিন্তু পাইলটের আসনে বসে আছে বাবা, সেই সাদা পোশাক পরে, যে পোশাকটা তার খুবই পরিচিত-সরাসরি এ রকম কখনও অভিজ্ঞতা হয়নি তার।

কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা যখন হল তখন ছোট্ট মেয়েটির চেহারায় দেখা গেল আনন্দের ঝলক। সেই ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে।

সম্প্রতি ভারতের গোএয়ারের একটি দিল্লি ফ্লাইটে এ ঘটনা ঘটে।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বিমানের আসনে ফাঁক দিয়ে উঁকি মারছে একটি বাচ্চা মেয়ে। হাতে বিমানের টিকিট। যাত্রীরা একে একে বিমানে উঠছেন। হঠাৎই তাদের মধ্যে দেখা গেল বিমানের পাইলটকে। তাকে দেখতেই আনন্দে ‘পাপা’ বলে চিৎকার করে উঠল মেয়েটি। পাইলটও তাকে দেখে হাত নাড়ালেন।

যে বাচ্চা মেয়েটির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তার নাম শানায়া মোতিহার। তার বাবা একজন পাইলট। শানায়া এবং তার মা যে বিমানে উঠেছিলেন ঘটনাচক্রে সেদিন সেই বিমানটি চালানোর দায়িত্ব পড়েছিল শানায়ার বাবার। পাইলটের আসনে বাবা, আর যাত্রীর আসনে মেয়ে! বাবাকে দেখতে পেয়েই উল্লসিত হয়ে পড়ে শানায়া।

শানায়া বলে, “এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে সেরা বিমান সফর। বাবাকে খুব ভালবাসি। বাবাই আমার সবচেয়ে ভাল বন্ধু। তার সঙ্গে সময় কাটাতে খুব ভাল লাগে। মা যখন বলেছিল বাবা এই বিমানেই আমাদের সঙ্গে যাবে, খুব আনন্দ হয়েছিল।”

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার একটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই রীতিমতো ব্যাপক সাড়া ফেলতে দেখা গেছে। বাবা-মেয়ের এমন ভালোবাসা মুগ্ধ করেছে সবাইকে। এদিকে ঝড়ের গতিতে বাড়ছে লাইক ও শেয়ার। ভিডিওর নিচে অনেকেই মন্তব্য করে বাবা-মেয়েকে ভালোবাসা জানিয়েছে।

About

Check Also

এ বছরের সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা: নৌকাডুবিতে ‘‘নিহত অথবা নিখোঁজ’’ ৭০

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের উপকূলে নৌকা ডুবির এক ঘটনায় ৭০ জনেরও বেশি রোহিঙ্গা ‌‌‘‘নিহত অথবা নিখোঁজ’’ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *