Wednesday , May 29 2024
Breaking News
Home / Countrywide / এবার ভালোবাসার টানে ইন্দোনেশিয়ান তরুণী শাহজাদপুরের আনোয়ারের বাড়িতে

এবার ভালোবাসার টানে ইন্দোনেশিয়ান তরুণী শাহজাদপুরের আনোয়ারের বাড়িতে

প্রেমের টানে দেশন্তরি নতুন কোনো ঘটনা নয়। ভালোবাসার মানুষকে পেতে দেশ জাতি, ধর্ম, ত্যাগ করতেও পিছুপা হয়ে না। প্রিয় মানুষটিকে আত্মত্যাগের শেষ নেই তবুও তাকে পাওয়ার বাসনা ছাড়তে রাজি নয়। এবার প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ইন্দোনেশিয়ার তরুণী বিয়ে করল বাংলাদেশী যুবককে।

প্রেমের টানে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে এসেছেন ইন্দোনেশিয়ার এক তরুণী। প্রেমের টানে বাংলাদেশি আনোয়ার হোসেনকে বিয়ে করেন ওই তরুণী। তিনি ইন্দোনেশিয়ার পারিজাত কুলন থানার অন্তর্গত কেটরোসনা গ্রামের বাসিন্দা। মালয়েশিয়ার একটি ক্লিনিকে নার্স হিসেবে কাজ করছেন।

মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) স্থানীয় মওলানার মাধ্যমে বাংলাদেশ রীতি ও মুসলিম শরিয়াহ মোতাবেক ৫০ হাজার টাকা দেনমোহরে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তারা।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন তিন বছর আগে ফেসবুকে সিতি নূরানীর সঙ্গে পরিচয় হয়। ফেসবুকে বন্ধুত্ব থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

আনোয়ারের মা বলেন, আমার পুত্রবধু খুবই ভালো, সে আমাকে মা বলে ডাকেন। বিদেশি পুত্রবধূর জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

আনোয়ার হোসেন বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়ার মুসলিম পরিবারের মেয়ে সিতি নুরানির সঙ্গে পরিচয়ের পর আমরা বিয়ে করেছি। আমার স্ত্রী আমাদের দেশ ও কৃষ্টি কালচার সম্পর্কে আমার কাছ থেকে জানেন। সিতি নূরানী আমার পরিবারের সব কিছু জেনে বাংলাদেশে আসেন।

সিতি নূরানী বলেন, বাবা-মায়ের অনুমতি নিয়েই বিয়ে করছি। স্বামীর সাথে সুখে শান্তিতে ঘরসংসার শুরু করেছি। সবার কাছে দোয়া চাই। এখানে এসে খুব ভালো লাগছে।

এদিকে, আনোয়ারের ভিনদেশি বধুকে দেখতে প্রতিদিন স্থানীয় লোকজন আনোয়ারের বাড়িতে ভিড় করছে।

প্রসঙ্গত, ইন্দোনেশিয়ান ওই তুরুণী বাংলাদেশে এসে রীতি মেনেই বিয়ে করেছে বাংলাদেশী ওই যুবককে। এই দম্পতি সুখে শান্তিতে বাংলাদেশে বসবাস করতে চায় এমনটায় জানায় ওই ইন্দোনেশিয়ান তরুণী।

About Babu

Check Also

অবন্তিকার পর এবার একই পথে হাঁটল মীম

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আ/ত্মহত্যা করেছে। শিক্ষার্থীর নাম শারভীন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *