Wednesday , May 29 2024
Breaking News
Home / Countrywide / দিনে দুপুরেই যদি ঘটায় এই কাজ তাহলে রাতের বেলা কি করবে তাই মানুষ ভেবে পাচ্ছেনা

দিনে দুপুরেই যদি ঘটায় এই কাজ তাহলে রাতের বেলা কি করবে তাই মানুষ ভেবে পাচ্ছেনা

একজন চেয়ারম্যান হলো জনগনের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। সাধারণ মানুষ জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করে এই জন্যই যেন সেই প্রতিনিধি সকল বিপদে আপদে তাদের পাশে থেকে সাহায্য ও সহযোগিতা করে যায়। তবে সেই প্রতিনিধি যদি করে বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ কাজ তাহলে তার থাকে দুঃখের আর কি হতে পারে। সম্প্রতি জানা গেল সম্মানীর ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন চেয়ারম্যান, অভিযোগ মেম্বারদের।

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ১১ নম্বর মরিচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী হেলালের বিরুদ্ধে ১১ সাবেক ইউপি সদস্যের সম্মানী আত্মসাৎ ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। তারা চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।

শনিবার (২৭ আগস্ট) দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাবেক ইউপি সদস্যরা এ অভিযোগ করেন। তাদের দাবি, ইউপি চেয়ারম্যান ৫০ মাসের বেতনের মোট ২৪ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মরিচা ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য মোজাম্মেল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য কবিরুল ইসলাম, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য মফিজুল হক ও সংরক্ষিত আসনের সাবেক সদস্য নন্দিতা রানী রায় প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ইউপি ইউনিয়ন পরিষদের ১১ জন সদস্যের সম্মানী ভাতা পরিশোধ করা হয়নি। ৫০ মাসে প্রত্যেক ইউপি সদস্যের সম্মানী ভাতা ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। সে অনুযায়ী ১১ জনের ৫০ মাসের সম্মানী ২৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। এ টাকা আত্মসাৎ করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী হেলাল। এমনকি বকেয়া চাওয়ার জন্য বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকিও দেন চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, আমি আওয়ামী লীগ দলের ইউপি চেয়ারম্যান, মামলা দিয়ে জেলে যাব।

এ ঘটনায় চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলির (বীরগঞ্জ ও কাহারোল) আদালতে চেয়ারম্যান হেলাল ও সাবেক ইউপি সচিব তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নন্দিতা রানী রায়। মামলায় সাবেক ১১ ইউপি সদস্যকে সাক্ষী করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মনিরুজ্জামান সরকার বিষয়টি তদন্ত করে ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বীরগঞ্জের ইউএনওকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

ইউপি চেয়ারম্যান আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী হেলাল বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের তহবিলে টাকা না থাকায় তাদের সম্মানী দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সরকার ও উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রতি বছর ইউনিয়ন পরিষদে দুটি অডিট করা হয়। তাদের টাকা আত্মসাৎ করলে অডিটে ধরা পড়তাম। আমিও চেয়ারম্যান পদে আড়াই লাখ টাকা পাব। করোনার কারণে গত দুই বছরে করসহ বিভিন্ন খাত থেকে আমাদের আয় কমেছে। আমার খাতা দেখে তদন্ত করলেই সব জানা যাবে।

বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিনাত রেহানা বলেন, “কয়েকদিন আগে আমি বীরগঞ্জ ইউএনওতে যোগদান করেছি। কয়েকদিন আগে সাবেক ইউপি সদস্যরা আমার কাছে আসেন। ওই সময় আমাকে আদালতে মামলা করার কথা জানানো হয়। একই সঙ্গে আমি বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও))। আদালত আমাকে তদন্তের আদেশের বিষয়ে অবহিত করেছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত আমি আদালতের কোনো কাগজপত্র পাইনি, কাগজ পেলে নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করব।

About Shafique Hasan

Check Also

অবন্তিকার পর এবার একই পথে হাঁটল মীম

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আ/ত্মহত্যা করেছে। শিক্ষার্থীর নাম শারভীন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *