Friday , June 21 2024
Breaking News
Home / Entertainment / আমার বাবা আমার কী সেটা আমরা দুজনেই শুধু জানি : শ্রীলেখা

আমার বাবা আমার কী সেটা আমরা দুজনেই শুধু জানি : শ্রীলেখা

বিগত কয়েক বছর আগেই মাকে হারান ভারতীয় বাংলা সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় ও আলোচিত অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। আর এরই মধ্যে গত সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান বাবা সন্তোষ মিত্রও। শেষ অভিভাবক বাবাকেও হারিয়ে রীতিমতো একা হয়ে পড়েছেন এই অভিনেত্রী। কেননা মায়ের মৃত্যুর পর একমাত্র বাবাই ছিল তার সকল পথ চলার আলো।

তাই হঠাবাবাকে হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি। বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ‌্যায় শ্রীলেখা তার ফেসবুকে একটি স্ট‌্যাটাস দিয়েছেন।

এতে তিনি লিখেছেন, ‘আমার বাবা, ঋজু এবং সৎ। মাথা উঁচু করে চলার সাহস জুগিয়েছেন যেকোনো পরিস্থিতিতে। বনিতাবিহীন, অকপট, আবেগপ্রবণ বাবাটা আমার। আর সান্ত্বনা দিও না তোমরা, দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে যাবে আমি বুঝবো না, মানব না। আমি যে কী হারালাম।’

২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে আরেকটি স্ট‌্যাটাস দিয়েছেন শ্রীলেখা। তাতেও বাবা হারানোর যন্ত্রণা প্রকাশ করেছেন।

এ অভিনেত্রী লিখেন, ‘আমার প্রিয় পুরুষ, আমার প্রিয় মানুষ… বাবা। যার কাছে তার কন্যাই শ্রেষ্ঠ, আমার খুঁ//টি/নাটি বিষয় তার জানা চাই, মতামত না চাইলেও দেওয়া চাই, আমার ভালো কিছু হলে আমার থেকেও যে মানুষটি বেশি খুশি হতেন, সেই বাবা দুম করে মরে গেল। এটা আমি মানতে পারছি না, চাইছিও না।’

 

আবেগপ্রবণ হয়ে শ্রীলেখা লিখেন, ‘আমার বাবা আমার কী সেটা আমরা দুজনেই শুধু জানি। বাবা গো তোমার সাথে কথা হয়েছিল তুমি আমায় বোঝাবে যে তুমি আমার কাছে আছো, সেটা এমনি এমনি না, আমায় প্রুফ দিয়ে বোঝাবে বলে রাখলাম, না হলে তোমায় ছাড়তে পারছি না, ছাড়বো না, এইভাবে কষ্টে থাকবো তুমি দেখবে, আমায় প্রুফ দাও…।’

প্রসঙ্গত, ঢালিউড সিনেমার এক জনপ্রিয় অভিনয় শিল্পী শ্রীলেখা মিত্র। ১৯৯৬ সালে ‘তৃষ্ণা’ নামক একটি ধারাবাহিকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে দর্শকদের নজরে আসেন তিনি। আর এভাবে একপর্যায়ে টালিউডেও জায়গা করে নেন তিনি। বর্তমানে বিশাল সংখ্যক এক অনুসারি গড়ে উঠেছে তার।

About

Check Also

হঠাৎ না ফেরার দেশে জনপ্রিয় অভিনেতা, শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া

না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা পার্থসারথি দেব। শুক্রবার (২২ মার্চ) কলকাতার বাঙ্গুর হাসপাতালে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *