মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন- তিনি আবার ক্ষমতায় থাকতে চান। কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে আমেরিকার গণতন্ত্র ধ্বংস নষ্ট হবে। আমেরিকার গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে যাবে। গণতন্ত্র বাঁচাতে তিনি আবার ক্ষমতায় আসতে চান। জো বাইডেনের মতো আমিও বলতে চাই বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে গণতন্ত্র ধ্বংস হবে। এই চেতনা আমাদের ধরে রাখতে হবে।
বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন উপ-কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব কথা বলেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
বৈঠকে ওবায়দুল কাদের বলেন, অ্যাকশনমুখে কর্মকাণ্ড করতে হবে।এখানে জুঁই ফুলের গান গেয়ে লাভ নেই। তার সামনে দাঁড়িয়ে আমি জুঁই ফুলের গান গাইব? আমাকেও অ্যাকশনে যেতে হবে। যেমন কুকুর তেমন মুগুর, ওই রকম ইশতেহার তৈরি করুন।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ২০৪০ সালকে মাথায় রাখতে হবে, ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে, এখন মাথায় স্মার্ট বাংলাদেশ। স্মার্টনেস কীভাবে আসবে? কীভাবে এর বিকাশ ঘটবে? এই বিষয়গুলো আমাদের চিন্তা করতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা খুব কঠিন সময় পার করতে পারবো। কারণ আমাদের দলের অধিনায়ক সাহসী। তার অসীম সাহসের জন্য আমরা দুর্লভ সাগর পাড়ি দিতে পারব।
ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেব বলেছেন- আর মাত্র কয়টা দিন, আপনারা কোথায় যাবেন? মির্জা আব্বাস বলেন, তারা নাকি চাঁদরাত দেখতে পান। তারা নাকি আমাদের তাড়িয়ে দেবেন। আর কয়েকটা দিন পরেই নাকি আমাদের চলে যেতে হবে। আমি টঙ্গীতে বলেছি, আমরা এই অক্টোবরে আছি, আগামী অক্টোবরও থাকব।
নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, এবারও আমাদের দেশেও তাই হবে। কে এলো, কে এলো না, এটা দেখা আমাদের কাজ নয়। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। আমরা কারো উপর চাপিয়ে দিচ্ছি না। কে আসবে, কে আসবে না সেটা তাদের ব্যাপার। কে কাকে নিষিদ্ধ করেছে এটা আমাদের কারোরই দেখার কাজ নয়। কারণ আমরা নির্বাচন করবো। যারা নির্বাচনে বাধা দেবে তাদের নিষিদ্ধ করা হবে। যারা বাধা দেবে, তাদের গ্রেফতার করবে। একেক দিন একেক হুমকি আসে, কী আজব ব্যাপার!
তিনি বলেন, মন্ত্রিসভা ছোট হোক বা বড় হোক, সবই প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ারে। তিনি চাইলে ছোট বা বড় করতে পারেন। বিশ্বের অন্যান্য গণতন্ত্রের মতো, নির্বাচিত সরকার নিয়মিত কাজ করবে এবং কোনো বড় নীতিগত সিদ্ধান্তে অংশ নেবে না। এটাই নিয়ম। আমরা এই নিয়ম মেনে চলব।
সভা শুরুর আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন আওয়ামী ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা কে এম আব্দুল মমিন সিরাজী।
আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে উপ-কমিটির প্রথম বৈঠকে অংশ নেন দলটির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং উপ-কমিটির সদস্য সচিব আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. সেলিম মাহমুদ, সদস্য ড. বজলুল হক খন্দকার, অধ্যাপক এ.এম.এস. আরেফিন সিদ্দিক, ডা. শামসুল আলম, ডা. দীপু মনি, অ্যাডভোকেট শ. রেজাউল করিম, শেখর দত্ত, ডাঃ মাকসুদ কামাল, ডাঃ মাহফুজুর রহমান, অধ্যাপক খায়রুল হোসেন, সাজ্জাদুল হাসান, তারানা হালিম, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, জুনায়েদ আহমেদ পলক, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল প্রমুখ।