একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনীতিতে নতুন একটি ইসলামি জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। ১৫টি রাজনৈতিক জোট নিয়ে ইসলামিক ডেমোক্রেডিটক এ্যালায়েন্স (আইডিএ) নামে এ জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ জোটের আত্মপ্রকাশ করে। জোটে ১৫টি রাজনৈতিক দল থাকলেও একমাত্র তরিকত ফেডারেশন ছাড়া কোনো দলের নিবন্ধন নেই।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা মিছবাহুর রহমান চৌধুরী ও তরিকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব লায়ন এমএ আউয়াল এমপি এ জোটের নেতৃত্বে দিচ্ছে। আগামী অক্টোবরে ঢাকায় গণসমাবেশের মধ্য দিয়ে জোটের বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
জোটের কো-চেয়ারম্যান ও তরিকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব লায়ন এমএ আউয়াল এমপি সম্প্রতি দল থেকে বহিস্কৃত হয়েছে। তিনি এ জোটে থাকলেও মূল দল ১৪ দলীয় জোটে রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন জোটের কো-চেয়ারম্যান লায়ন এমএ আউয়াল এমপি বলেন, ২০০৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারকে অব্যাহতভাবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছি। কেননা আমরা চাই বাংলাদেশ এগিয়ে যাক। এই জোট আশা প্রকাশ করছে ইসলামী ও সমমনা দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হলে এই শক্তিই এদেশের তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভুত হবে।
ইসলামিক এ নতুন অ্যালায়েন্স প্রসঙ্গে এম এ আউয়াল বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে জোটটি আত্মপ্রকাশ করছে। নির্ববাচনকে সামনে রেখে জোট হলেও সামনের দিকে আলাপ আলেচনার মাধ্যমে সামনের দিনের কর্মকাণ্ড নির্ধারিত হবে।
জোটের শরীক দলগুলো হচ্ছে, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট, গণতান্ত্রিক ইসলামিক মুভমেন্ট, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ-ভাসানী গ্রুপ), বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট, বাংলাদেশ জমিয়তে দারুসসুন্নাহ, বাংলাদেশ ইসলামী ডেমোক্রেটিক ফোরাম, বাংলাদেশ গণকাফেলা, বাংলাদেশ জনসেবা আন্দোলন, বাংলাদেশ পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামী পেশাজীবী পরিষদ, ইসলামী ইউনিয়ন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলন ও ন্যাশনাল লেবার পার্টি।
অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর জোট সম্পর্কে মাওলানা মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, তাদের জোটভুক্ত প্রতিটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনের শর্তপূরণ করে আবেদন করলেও নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন দিচ্ছেনা। আর এ কারনেই তারা নির্বাচন কমিশনের এই নিবন্ধনের বিপক্ষে।
তিনি বলেন, ২০০৮ সালে যেসব দলকে বাদ দেয়া হয়েছে সেসব দল আগে অনেক জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তিনি জানান, এই জোট ভবিষ্যতে বৃহৎ কোনো জোটের শরীক হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে।

News Page Below Ad

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

১৫টি ইসলামিক দলের সমন্বয়ে নতুন জোটের আত্মপ্রকাশ
Logo
Print

রাজনীতি Hits: 2939

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনীতিতে নতুন একটি ইসলামি জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। ১৫টি রাজনৈতিক জোট নিয়ে ইসলামিক ডেমোক্রেডিটক এ্যালায়েন্স (আইডিএ) নামে এ জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ জোটের আত্মপ্রকাশ করে। জোটে ১৫টি রাজনৈতিক দল থাকলেও একমাত্র তরিকত ফেডারেশন ছাড়া কোনো দলের নিবন্ধন নেই।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা মিছবাহুর রহমান চৌধুরী ও তরিকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব লায়ন এমএ আউয়াল এমপি এ জোটের নেতৃত্বে দিচ্ছে। আগামী অক্টোবরে ঢাকায় গণসমাবেশের মধ্য দিয়ে জোটের বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
জোটের কো-চেয়ারম্যান ও তরিকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব লায়ন এমএ আউয়াল এমপি সম্প্রতি দল থেকে বহিস্কৃত হয়েছে। তিনি এ জোটে থাকলেও মূল দল ১৪ দলীয় জোটে রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন জোটের কো-চেয়ারম্যান লায়ন এমএ আউয়াল এমপি বলেন, ২০০৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারকে অব্যাহতভাবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছি। কেননা আমরা চাই বাংলাদেশ এগিয়ে যাক। এই জোট আশা প্রকাশ করছে ইসলামী ও সমমনা দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হলে এই শক্তিই এদেশের তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভুত হবে।
ইসলামিক এ নতুন অ্যালায়েন্স প্রসঙ্গে এম এ আউয়াল বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে জোটটি আত্মপ্রকাশ করছে। নির্ববাচনকে সামনে রেখে জোট হলেও সামনের দিকে আলাপ আলেচনার মাধ্যমে সামনের দিনের কর্মকাণ্ড নির্ধারিত হবে।
জোটের শরীক দলগুলো হচ্ছে, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট, গণতান্ত্রিক ইসলামিক মুভমেন্ট, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ-ভাসানী গ্রুপ), বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট, বাংলাদেশ জমিয়তে দারুসসুন্নাহ, বাংলাদেশ ইসলামী ডেমোক্রেটিক ফোরাম, বাংলাদেশ গণকাফেলা, বাংলাদেশ জনসেবা আন্দোলন, বাংলাদেশ পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামী পেশাজীবী পরিষদ, ইসলামী ইউনিয়ন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলন ও ন্যাশনাল লেবার পার্টি।
অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর জোট সম্পর্কে মাওলানা মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, তাদের জোটভুক্ত প্রতিটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনের শর্তপূরণ করে আবেদন করলেও নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন দিচ্ছেনা। আর এ কারনেই তারা নির্বাচন কমিশনের এই নিবন্ধনের বিপক্ষে।
তিনি বলেন, ২০০৮ সালে যেসব দলকে বাদ দেয়া হয়েছে সেসব দল আগে অনেক জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তিনি জানান, এই জোট ভবিষ্যতে বৃহৎ কোনো জোটের শরীক হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে।
Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.