সারা দেশে অস্বচ্ছল আর ভিটে মাটি হীন সব মুক্তি যোদ্ধাদের জন্য নেয়া হচ্ছে নতুন এক ব্যবস্থা। আর এই নিয়ে নির্দেশনা প্রদান করছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জানা গেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ’বীর নিবাস’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছয়টি নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন-আল-রশিদ। ’বীর নিবাস’ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ৪ হাজার ১২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি। এ সময় পরিকল্পনা বিভাগের সচিব জয়নুল বারীসহ কমিশনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) একনেক বৈঠক শেষে ব্রিফিং করেন পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. জয়নুল বারী।

এদিন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ৫ হাজার ৬১৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৫ হাজার ৫১৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ পাওয়া যাবে ৫৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে পাওয়া যাবে ৪২ কোটি ৭ লাখ টাকা।

মামুন-আল-রশিদ বলেন, ভিটেমাটিহীন অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থায় ’বীর নিবাস’ নির্মাণের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ’অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্প অনুমোদন দিতে গিয়ে তিনি এ নির্দেশ দেন।

তিনি জানান, শুধুমাত্র এ প্রকল্পটি নিয়েই প্রধানমন্ত্রী মোট ছয়টি অনুশাসন দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রথমে ১৪ হাজার বীর নিবাসের প্রস্তাব থাকলেও চূড়ান্ত পর্যায়ে ৩০ হাজার বীর নিবাস নির্মাণের জন্য প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রায় সব মুক্তিযোদ্ধারই সাধারণত ভিটেমাটি আছে।

কিন্তু যাদের একান্তই কোনো ভিটেমাটি নেই, তাদের জেলা প্রশাসক বা ইউএনওর মাধ্যমে জমির ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া জেলা প্রশাসক ও ইউএনওরা যেন প্রয়োজনে প্রকল্পের টাকা দ্রুত ছাড় করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে।

এছাড়া প্রকল্পটির মেয়াদ তিন মাস বাড়িয়ে ২০২৩ সালের জুনের পরিবর্তে অক্টোবর পর্যন্ত করতে হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ও অর্থায়নে যাতে চাপ না থাকে সেজন্য চলতি অর্থবছর থেকেই কাজ শুরু করতে হবে। চার অর্থবছর মিলেই যেন টাকাটা ছাড় দেওয়া যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে গ্রামীণ অর্থ সরবরাহ বেড়ে যাবে।

এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে ইতিমধ্যে দেশের প্রায় ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষকে করে দিয়েছেন ঘরের ব্যবস্থা। আর সেই সাথে আরো বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।

News Page Below Ad

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

বীর নিবাস নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ছয় নির্দেশ
Logo
Print

জাতীয় Hits: 2194

 

সারা দেশে অস্বচ্ছল আর ভিটে মাটি হীন সব মুক্তি যোদ্ধাদের জন্য নেয়া হচ্ছে নতুন এক ব্যবস্থা। আর এই নিয়ে নির্দেশনা প্রদান করছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জানা গেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ’বীর নিবাস’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছয়টি নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন-আল-রশিদ। ’বীর নিবাস’ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ৪ হাজার ১২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি। এ সময় পরিকল্পনা বিভাগের সচিব জয়নুল বারীসহ কমিশনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) একনেক বৈঠক শেষে ব্রিফিং করেন পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. জয়নুল বারী।

এদিন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ৫ হাজার ৬১৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৫ হাজার ৫১৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ পাওয়া যাবে ৫৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে পাওয়া যাবে ৪২ কোটি ৭ লাখ টাকা।

মামুন-আল-রশিদ বলেন, ভিটেমাটিহীন অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থায় ’বীর নিবাস’ নির্মাণের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ’অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্প অনুমোদন দিতে গিয়ে তিনি এ নির্দেশ দেন।

তিনি জানান, শুধুমাত্র এ প্রকল্পটি নিয়েই প্রধানমন্ত্রী মোট ছয়টি অনুশাসন দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রথমে ১৪ হাজার বীর নিবাসের প্রস্তাব থাকলেও চূড়ান্ত পর্যায়ে ৩০ হাজার বীর নিবাস নির্মাণের জন্য প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রায় সব মুক্তিযোদ্ধারই সাধারণত ভিটেমাটি আছে।

কিন্তু যাদের একান্তই কোনো ভিটেমাটি নেই, তাদের জেলা প্রশাসক বা ইউএনওর মাধ্যমে জমির ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া জেলা প্রশাসক ও ইউএনওরা যেন প্রয়োজনে প্রকল্পের টাকা দ্রুত ছাড় করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে।

এছাড়া প্রকল্পটির মেয়াদ তিন মাস বাড়িয়ে ২০২৩ সালের জুনের পরিবর্তে অক্টোবর পর্যন্ত করতে হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ও অর্থায়নে যাতে চাপ না থাকে সেজন্য চলতি অর্থবছর থেকেই কাজ শুরু করতে হবে। চার অর্থবছর মিলেই যেন টাকাটা ছাড় দেওয়া যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে গ্রামীণ অর্থ সরবরাহ বেড়ে যাবে।

এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে ইতিমধ্যে দেশের প্রায় ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষকে করে দিয়েছেন ঘরের ব্যবস্থা। আর সেই সাথে আরো বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।
Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.