বর্তমানে বাংলাদেশে অপরাধ কর্মকান্ডের হার দিনে দিনে বেড়েই চলছে। বাংলাদেশের প্রসাশনের সচেতনতাও বৃদ্ধি পেয়েছে আগের চেয়ে দ্বিগুন। এই অপরাধ কর্মকান্ডের আসামীরা প্রসাশনের হাতে আটক হয়ে রয়েছে কারাগারে। অপরাধ কর্মকান্ডের আসামীদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় দেশের কারাগারগুলোতে বর্তমানে ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি বন্দি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

সোমবার সংসদে দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে কারাগারগুলোতে বন্দি ধারণ ক্ষমতা ৪০ হাজার ৯৪৪। তবে কারাবন্দির সংখ্যা ৮৮ হাজার ৮৪ জন।

মন্ত্রী জানান, কারাগারের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সরকার নবনির্মিত ৫টি কারাগারকে কারাগার-১ এবং পুরনো কারাগারকে কারাগার-২ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ ছাড়া নতুন কারাগার নির্মাণ এবং পুরনো কারাগার সম্প্রসারণ ও নতুন ভবন তৈরি করেও বন্দি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

বেগম সুলতানা নাদিরার প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ মাদক উৎপাদনকারী দেশ না হলেও ভৌগোলিক কারণে মাদক সমস্যার কবলে পড়েছে।

এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২০১৯ সালে ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৫২ জন মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮১টি মামলা দায়ের করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। নতুন আইনে মাদক ব্যবসার নেপথ্যে ভূমিকা পালনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্তমান দেশের কারাগারগুলোর ধারণক্ষমতার তুলনায় দ্বিগুন সংখ্যক আসামী কারাবাসে রয়েছে। দেশের কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতা অল্প হওয়ায় নতুন আসামীদের কারাবাসে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। কারাগারগুলোর ধারনক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সরকার নতুন কারাগার নির্মান করছেন এমনটা জানানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।