বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এই দেশের অর্থনৈতিক মন্দার কারনে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে এ দেশের বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় কাচাঁমালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থনৈতিক এমন মন্দার জন্য ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে জনগন। বাংলাদেশের অর্থনীতি মন্দা চলছে বলেন অর্থমন্ত্রী। বাংলাদেশে এখন রপ্তানি এবং আমদানি বাণিজ্যের সূচক নিম্নমুখী। বাড়ছে ঘাটতি বাণিজ্য খাতে।

’বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো নেই’ অর্থমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, অর্থমন্ত্রী কেন এমন মন্তব্য করেছেন এর ব্যাখ্যা তিনিই বলতে পারবেন, আমি নই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের এক্সপোর্টের সূচক কিছুটা ডাউন। বিশ্বব্যাপী এক্সপোর্ট-ইমপোর্টের যে মন্দা শুরু হয়েছে সেটারই প্রভাব পড়েছে আমাদের অর্থনীতিতে। আশা করি দুই-তিন মাসের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।

রোববার (০৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে ’ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপ এবং বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে করপোরেট কানেক্ট: ২০২০ কনফারেন্স এন্ড বিজনেস ফেয়ারে’ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে একথা বলেন মন্ত্রী।

চায়না থেকে আমদানি করা আদা, রসুন ও পেঁয়াজের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় কাঁচামালের দাম বেড়ে গেছে এটাকে সামাল দেওয়ার জন্য আলাদা কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে আমরা চিন্তিত না। পেঁয়াজের ক্ষেত্রে আমরা ভারতের ওপর নির্ভরশীল হলেও এখন চায়না, তুর্কি ও মায়ানমারের মতো দেশগুলো থেকে পেঁয়াজ আনছি। পেঁয়াজ সরবরাহেও ঘাটতি নেই। কিন্তু অন্যান্য মশলা জাতীয় যেসব পণ্য আছে সেগুলো যদি কোথাও থেকে না আনা যায়, তাহলে সেটার জন্য আমাদের অন্য সোর্স খুঁজতে হবে। এই সপ্তাহটা দেখি তারপর অন্য কোনো পথ বের কর‍তে হবে।

গ্লোবাল ট্রেড স্লোডাউনের কারণে বাংলাদেশের জিডিপি ক্ষতিগ্রস্ত হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে তবে এই ধরনের সিচুয়েশনে আমরা ভালো করেছি এমন নজিরও আছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বাণিজ্য খাতে যে ঘাটতি তার প্রভাব পড়েছে অর্থনীতিতে এমনটাই বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।তিনি আরো বলেন এই অবস্থার পরির্বতন খুব তারাতারি হবে। সতর্ক না হলে গভীর মন্দার কবলে পড়তে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতি৷