চলছে সারা দেশে করোনা ভাইরাসের তান্ডব। করোনা সংক্রমণের ভিতর বাংলাদেশে চুরি, দূর্নীতি, অনিয়ম প্রতিনিয়ত মহামারী করোনার ন্যায় বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসা খাতে চলছে দেদারছে দূর্নীতি। হাসপাতালের পরিষ্কার পরিছন্ন কর্মি থেকে শুরু করে নার্স, ডাক্তার,এমনকি হাসপাতালের পরিচালক পর্যন্ত দূর্নীতির সাথে জড়িত থাকে আমাদের বাংলাদেশে। তেমনি এই করোনাকালে ঢাকা মেডিকেলের নার্স, স্টাফরা করছে ওষুধ চুরি। শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটের ঔষধ চুরির অভিযোগে এক নার্সকে আটক করেছে পুলিশ।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display


হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনষ্টিটিউটের বর্হিবিভাগের ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্স তপন কুমার বিশ্বাসকে সরকারী ওষুধ চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। ওষুধগুলোর মধ্যে ছিল তিন ধরনের ইঞ্জেকশন, যার বাজার মূল্য আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা।


মঙ্গলবার (০৯ জুন) সন্ধ্যার দিকে ওষুধগুলো নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ইনষ্টিটিউটের সামনে থেকে তাকে আটক করে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা’র (এনএসআই) একটি টিম। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ বক্সে সোর্পদ করা হয়।

এনএসআই-এর একটি সূত্র জানান, ইনস্টিটিউট থেকে ব্যাগে ভরে ওষুধ নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শহীদুল্লাহ হল সংলগ্ন রাস্তা থেকে ওষুধসহ তাকে আটক করা হয়।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সন্ধ্যার দিকে এনএসআই হাসপাতালের সরকারী ওষুধসহ তাকে ইনষ্টিটিউটের সামনে থেকে আটক করে। তার কাছ থেকে সরকারি তিন ধরনের ইঞ্জেকশন উদ্ধার করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা।

সরকারি ওষুধ পাচারের সময় আটক সিনিয়র স্টাফ নার্স তপনকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ইনষ্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা.পার্থ শংকর পাল জানান, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি নিজেই শাহবাগ থানায় যাচ্ছি।


প্রসঙ্গত, বর্তমানে দেশে করোনা সংক্রামন হবার পর থেকে চলছে নানা দূর্নীতি। দেশে বেড়েছে সব ধরণের চোর। চাল চোর, তেল চোর, এ আবার ওষুধ চোর। সব খাতেই চলছে মহামরী আকারে দূর্নীতি। শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ তপন কুমার ওষুধ চুরি করে সেই ওষুধ বিক্রি করে দেয়। সরকারী হাসপাতালের ওষুধ চুরি করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। চিকিৎসা খাতে যারা দূর্নীতি করে, অবৈধ ভাবে, কসাইয়ের মত যারা গরিবের টাকা চিকিৎসার নামে মেরে দেয় তাদের শাস্তি হওয়া উচিত।

News Page Below Ad

আরো পড়ুন

Error: No articles to display