বাংলাদেশের পদ্মা নদীর উপর নির্মিত হচ্ছে দেশের অন্যতম এবং সর্ববৃহৎ বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। দক্ষিনবঙ্গের উন্নয়ন ও ডিজিটালয়ানের অন্যতম মাধ্যমই এই পদ্মা সেতু। পদ্মা সেতু চালু না হওয়া পর্যন্ত দক্ষিনবঙ্গের সম্পূর্ন রুপে উন্নয়ন সম্ভব নয়। পদ্মাসেতুর কাজ ৭৭ শতাংশ সম্পুর্ন করা হয়েছে। দক্ষিনবঙ্গের উন্নয়নের লক্ষ্যে পদ্মসেতুর কাজ দ্রুত সম্পুর্ন করা হবে বলেন ওবায়দুল কাদের। পদ্মা সেতুতে ৯৮০ জন চীনা নাগরিক কর্মরত আছেন। তার মধ্যে চীনের নববর্ষের ছুটিতে আছেন ৩৩২ জন, যাদের মধ্যে চীন থেকে ফিরেছেন ৩৩ জন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতুর ৭৭ ভাগ কাজের অগ্রগতি হয়েছে। সেতুতে এখন পর্যন্ত ২৩টি স্প্যান বসানো হয়েছে। ২৪ নম্বরটিও বসবে ১০ তারিখ। এখন পর্যন্ত চীনাদের জন্য সমস্যা না হলেও, না ফিরলে সমস্যা হবে দুই মাস পরে। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে `চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও নাগরিক সেবাপ্রদান বিষয়ক’ সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, জুলাইয়ের মধ্যে কোন প্রকার অসুবিধা না হলে সবকটি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা নিয়েছি। পদ্মা সেতু প্রকল্পে ৯৮০ জন চীনা নাগরিক কর্মরত রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩৩২ জন নববর্ষের ছুটিতে গিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৩৩ জন ফিরেছেন, এর মধ্যে আটজন শঙ্কামুক্ত থাকলেও বাকিরা পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। আশাকরি তারা দ্রুত ফিরবেন।

তিনি আরও বলেন, কোন প্রকার অসুবিধা না হলে জুলাইয়ের মধ্যে পদ্মাসেতুর সবকটি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা নিয়েছি।

উল্লেখ্য, পদ্মা সেতু একটি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জিং নির্মাণ প্রকল্প। গত ২ ফেব্রুয়ারি পদ্মা সেতুতে ২৩ তম স্প্যান বসানো হয়েছে। এতে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ৩ হাজার ৪৫০ মিটার অর্থাৎ প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দৃশ্যমান হলো। কোন প্রকার অসুবিধা না হলে জুলাইয়ের মধ্যে পদ্মাসেতুর সবকটি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা নিয়েছি সরকার এমনটাই জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।