সিভিল সার্জন ডা. তউহীদ আহম’দ কল্লোল একজন সৎ মানুষ।তিনি অন্যায় শয্য করেন না,ঘুষ নেয়া ও দেয়া অপছন্দ করেন।
সিভিল সার্জন ডা. তউহীদ আহম’দ কল্লোল সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালেযোগদানের পর হাসপাতালের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়া শুরু করেন।এর ফলে হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা তার উপর রাগানন্বিত হয়ে পরেন।তিনি এর পাশাপাশি হারাম এক টাকা ও খাবেন বলে ঘোষনা দেন।যার ফলে তাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে তাকে মৌলভীবাজারে বদলি করা হয়।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display




সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. তউহীদ আহম’দ কল্লোলের বদলির করার পরেরদিন থেকেই

শুরু হয়েছে অনিয়ম ও দু’র্নীতি। সিভিল সার্জন কল্লোল দায়িত্ব ছাড়ার ২৪ ঘণ্টা যেতে না যেতেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন হাসপাতালের নার্স রহিমা বেগম ও

ওয়ার্ড বয় সোহাগ মিয়া। নতুন ২৫০ শয্যা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের ব্যবহৃত জিনিসপত্র পাচারের সময় ধ’রা পড়েন তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেলে হাসপাতালের পাশে গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন অ্যাম্বুলেন্স চালকরা। কিছুক্ষণ পর তারা দেখেন ওয়ার্ড বয় সোহাগ নতুন হাসপাতাল থেকে

দুটি বালিশ, দুটি বেড-শিট এবং দুটি কম্বল নিয়ে বাইরে যাচ্ছেন। তারা সোহাগকে আ’ট’ক করে জিনিসপত্র কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন জানতে চান।

এসব জিনিসপত্র নার্স রহিমা বাইরে রেখে আসতে বলেছেন বলে জানান সোহাগ। এ সময় নার্স রহিমা বেগম বাইরে এসে অ্যাম্বুলেন্স চালক ও স্থানীয়দের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান।

একই সঙ্গে সরকারি জিনিসপত্র কোথায় নিচ্ছি আপনাদের বলতে বাধ্য নই বলে জানিয়ে দেন নার্স রহিমা বেগম।

অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. পারভেজ মিয়া বলেন, বিকেলে গাড়ির পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলাম আম’রা। হঠাৎ দেখি হাসপাতালের বালিশ, কম্বল ও বেড-শিট চু’রি করে নিয়ে যাচ্ছেন

ওয়ার্ড বয় সোহাগ। এ সময় তাকে আ’ট’কে জিজ্ঞাসা করি এসব জিনিস কোথায় নিয়ে


যাচ্ছেন। তখন সোহাগ ফোন দিলে নার্স রহিমা এসে আমাদের বকাঝকা শুরু করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী অ্যাম্বুলেন্স চালক রুবেল আহম’দ বলেন, ওই ছেলেকে জিজ্ঞেস করলে উত্তর দেয় সরকারি হাসপাতালের জিনিসপত্র বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছি। সরকারি জিনিসপত্র বাড়িতে
নেয়ার অনুমতি কে দিয়েছে জানতে চাইলে নার্স রহিমা’র কথা জানায়। এ সময় নার্স এসে বলেন এসব জিনিসপত্র এসপির বাংলোয় পাঠাব নাকি আমা’র বাড়িতে পাঠাব তোমাদের জানার কি দরকার।

এ বিষয়ে ওয়ার্ড বয় সোহাগ বলেন, একজন আয়া এক নার্সের কাছ থেকে কম্বল, বেড-শিট
এবং বালিশ নিয়ে আমা’র হাতে দিয়ে বাইরে নিয়ে যেতে বলেন। নার্স রহিমা বেগম এসব

জিনিসপত্র দুদিনের জন্য আরেক নার্সকে দিতে বলেছেন। ওই নার্সের সমস্যা থাকায় রহিমা আপা আমাকে এগুলো নিয়ে যেতে বলেছেন।

সুনামগঞ্জ সদর হা*সপা*তালের আবাসিক চিকিৎসক রফিকুল ইস’লাম বলেন, আমাকে

স্থানীয়রা বিষয়টি জানিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে এসব জিনিসপত্র ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। আগামীকাল নার্সদের নিয়ে বিষয়টি ত’দন্ত করব আম’রা।

এ ব্যাপারে হাসাপাতালের ডেপুটি সিভিল সার্জন আশরাফুল ইস’লাম বলেন, এ বিষয়ে আমি

কিছুই জানি না। যদি এমন কিছু হয় তাহলে সেটি অন্যায় এবং শা’স্তিযোগ্য অ’প’রাধ। খোঁজ নিয়ে বিষয়টি ত’দন্ত করে ব্যবস্থা নেব।
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের ডিও লেটারের সুপারিশের মাধ্যমে বদলি আদেশ পেয়ে

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. তউহীদ আহম’দ কল্লোল। দু’র্নীতির বি’রুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় ২০ দিনের মাথায় সিভিল সার্জন

কল্লোলকে বদলি করা হয়েছে বলে অ’ভিযোগ স্থানীয়দের। তার বদলির ২৪ ঘণ্টা না যেতেই এমন ঘটনা ঘটালেন নার্স রহিমা।


উল্লেখ্য এই যে,সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. তউহীদ আহম’দ কল্লোলের বদলির পরের দিন থেকেই ঐ হাসপাতালে অনিয়ম ও দু’র্নীতি শুরু হয়।আরো জানা যায়, কল্লোলকে বদলি করার ফলে স্থানীয়রা মানববন্ধন করেন।কল্লোলের মোটো সৎ মানুষ সবাই চায়।কল্লোলকে বদলি করা অযৌক্তিক এবং অনৈতি।


News Page Below Ad

আরো পড়ুন

Error: No articles to display