দক্ষিণাঞ্চলীয় বরগুনা জেলা শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে নলিবাজার। বাজারের পার্শ্ববর্তী এলাকাটি জেলে অধ্যুষিত।
এখানকার বেশিরভাগ মানুষ মূলত সাগরের মৎস্য সম্পদের উপর নির্ভর।
প্রজনন মৌসুমে আগামী ৩০শে অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা মেনে জাল গুটিয়ে বসে আছেন দেশের জেলেরা।কিন্তু সুযোগটি নিয়েছে ভারতীয় জেলেরা, তারা এ সময় বাংলাদেশের সীমানায় ঢুকে মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে এমনটিই অভিযোগ করেছে বাংলাদেশের জেলেরা।
বরগুনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরা হচ্ছে। পাশের দেশের জেলেরা এই ইলিশ ধরছে বলে অভিযোগ করেছে উপকূলের জেলেরা।
নিষেধাজ্ঞার এই সময়টাতে ইলিশ শিকারী জেলেরা বেকার সময় কাটালেও বসে নেই ভারতীয় জেলেরা। তাদের অভিযোগ, প্রতিদিনই শত শত ভারতীয় ট্রলার বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় প্রবেশ করে ইলিশ শিকার করে নিয়ে যাচ্ছে।
একই অভিযোগ ট্রলার মালিক সমিতিরও। মৎস্য বিভাগের দাবি, প্রজনন মৌসুমের নিষেধাজ্ঞার সময়ে কেউ যাতে ইলিশ শিকার করতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক তারা।
তবে, সমুদ্রসীমায় ভারতীয় জেলেদের অনুপ্রবেশের কথা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে জানান বরগুনার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ। নিষেধাজ্ঞার সময় ইলিশ শিকার থেকে বিরত বরগুনার ৪৫ হাজার জেলেদের মধ্যে ৩৫ হাজার জেলেকে সহায়তা দেবে মৎস্য বিভাগ।
এর আগে দুই মাসেরও বেশী সময় তারা সাগরে মাছ ধরতে পারেননি, কিন্তু সুযোগটি নিয়েছে ভারতীয় জেলেরা - তারা এ সময় বাংলাদেশের সীমানায় ঢুকে মাছ ধরে নিয়ে গেছে।ভারতীয় জেলেদের বাংলাদেশে এসে মাছ ধরার বিষয়টি সরকারের নজরে রয়েছে বলে জানান বরগুনা জেলার মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ।
সাগরে ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধ রাখার বিষয়টি ২০১৫ সাল থেকে শুরু হলেও চলতি বছর সবচেয়ে বেশি কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।আর এই সময়টিতে মাছ ধরা বন্ধ রাখার কারণে মাছের উৎপাদন বেড়েছে বলে জানা গেছে।