ডা. জাহাঙ্গীর, বাংলাদেশের স্যোশাল মিডিয়ার বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় একটি নাম। দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের মানুষদের নানা ধরনের চিকিৎসা সংক্রান্ত উপদেশ। তবে এবার বেধেছে আপত্তি।কিটো ডায়েটের জন্য আলোচিত ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে এবার ভুয়া ডিগ্রি দিয়ে ব্যবসা করার অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)। সংগঠনটির অভিযোগ, ডা. জাহাঙ্গীর প্রেসক্রিপশনে তার পরিচয়ে যেসব বিদেশি ডিগ্রির উল্লেখ করেছেন সেগুলো বিএমডিসি অনুমোদিত নয়। প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছে বিএমডিসি।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

ফেসবুক ও ইউটিউবে লাখ লাখ অনুসারী আছে ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবিরের। লাইফস্টাইল ও ফিটনেসের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ নিয়ে তিনি বেশ কিছুদিন ধরে কাজ করছেন। বিভিন্ন বিষয়ে ডা. জাহাঙ্গীরের ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হন অনেকে।

কিন্তু, এবার তার বিরুদ্ধে করোনা টিকা নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক ও অবৈজ্ঞানিক তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছে ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপনসিবিলিটি (এফডিএসআর)। সংগঠনটির মহাসচিব ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, তিনি করোনা টিকা নিয়ে যেসব তথ্য দিয়েছেন সেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই। তিনি বলেছেন, একেক ভ্যারিয়েন্টের জন্য আলাদা আলাদা ভ্যাকসিন নিতে হবে। যা একবারেই অবৈজ্ঞানিক ও মনগড়া কথা। আমরা তার দেয়া জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তথ্য সরিয়ে নিতে বলেছি।

এদিকে বিতর্ক জন্ম নেয়ার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে পোস্ট দিয়ে ডা. জাহাঙ্গীর জানান, টিকা নিয়ে ব্যাখ্যা সংক্রান্ত ভিডিওটি সরিয়ে নিয়েছেন তিনি। ডাক্তার হিসেবে কাউকে তিনি অসম্মান করতে পারেন না উল্লেখ করে লিখেছেন, তার আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।

এ বিষয়ে কথা বলতে বেশ কয়েকবার ফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি ডা. জাহাঙ্গীর কবিরকে। অফিসে গেলে জানানো হয়, গণমাধ্যমে কথা বলবেন না তিনি।

এসবের মাঝেই বিএমডিসি জানালো, জাহাঙ্গীর কবিরের প্রেসক্রিপশন প্যাডে উল্লেখ করা ডিগ্রির কোনোটিই বিএমডিসি অনুমোদিত নয়।

বিএমডিসির ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. লিয়াকত হোসেন বলেন, উনার যে প্রেসক্রিপশন আমার হাতে এসেছে সেখানে চারটি ডিগ্রি উল্লেখ আছে। যেগুলো স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। এগুলোর একটিও বিএমডিসি অনুমোদিত নয়।

এ দিকে তার নামে চিঠি দেবার পর থেকেই বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে সারা দেশে। জানা গেছে তার ডিগ্রির সত্যতা চেয়ে দেওয়া চিঠিরও জবাব চেয়েছে কৃর্তপক্ষ। এবং সন্তোষজনক জবাব না পেলে তার নামে নেয়া হবে ব্যবস্থা।

News Page Below Ad

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

এবার জানা গেল, ডাক্তার জাহাঙ্গীরের ডিগ্রির অনুমোদন নেই
Logo
Print

সারা দেশ Hits: 1531

 

ডা. জাহাঙ্গীর, বাংলাদেশের স্যোশাল মিডিয়ার বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় একটি নাম। দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের মানুষদের নানা ধরনের চিকিৎসা সংক্রান্ত উপদেশ। তবে এবার বেধেছে আপত্তি।কিটো ডায়েটের জন্য আলোচিত ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে এবার ভুয়া ডিগ্রি দিয়ে ব্যবসা করার অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)। সংগঠনটির অভিযোগ, ডা. জাহাঙ্গীর প্রেসক্রিপশনে তার পরিচয়ে যেসব বিদেশি ডিগ্রির উল্লেখ করেছেন সেগুলো বিএমডিসি অনুমোদিত নয়। প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছে বিএমডিসি।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

ফেসবুক ও ইউটিউবে লাখ লাখ অনুসারী আছে ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবিরের। লাইফস্টাইল ও ফিটনেসের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ নিয়ে তিনি বেশ কিছুদিন ধরে কাজ করছেন। বিভিন্ন বিষয়ে ডা. জাহাঙ্গীরের ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হন অনেকে।

কিন্তু, এবার তার বিরুদ্ধে করোনা টিকা নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক ও অবৈজ্ঞানিক তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছে ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপনসিবিলিটি (এফডিএসআর)। সংগঠনটির মহাসচিব ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, তিনি করোনা টিকা নিয়ে যেসব তথ্য দিয়েছেন সেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই। তিনি বলেছেন, একেক ভ্যারিয়েন্টের জন্য আলাদা আলাদা ভ্যাকসিন নিতে হবে। যা একবারেই অবৈজ্ঞানিক ও মনগড়া কথা। আমরা তার দেয়া জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তথ্য সরিয়ে নিতে বলেছি।

এদিকে বিতর্ক জন্ম নেয়ার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে পোস্ট দিয়ে ডা. জাহাঙ্গীর জানান, টিকা নিয়ে ব্যাখ্যা সংক্রান্ত ভিডিওটি সরিয়ে নিয়েছেন তিনি। ডাক্তার হিসেবে কাউকে তিনি অসম্মান করতে পারেন না উল্লেখ করে লিখেছেন, তার আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।

এ বিষয়ে কথা বলতে বেশ কয়েকবার ফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি ডা. জাহাঙ্গীর কবিরকে। অফিসে গেলে জানানো হয়, গণমাধ্যমে কথা বলবেন না তিনি।

এসবের মাঝেই বিএমডিসি জানালো, জাহাঙ্গীর কবিরের প্রেসক্রিপশন প্যাডে উল্লেখ করা ডিগ্রির কোনোটিই বিএমডিসি অনুমোদিত নয়।

বিএমডিসির ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. লিয়াকত হোসেন বলেন, উনার যে প্রেসক্রিপশন আমার হাতে এসেছে সেখানে চারটি ডিগ্রি উল্লেখ আছে। যেগুলো স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। এগুলোর একটিও বিএমডিসি অনুমোদিত নয়।

এ দিকে তার নামে চিঠি দেবার পর থেকেই বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে সারা দেশে। জানা গেছে তার ডিগ্রির সত্যতা চেয়ে দেওয়া চিঠিরও জবাব চেয়েছে কৃর্তপক্ষ। এবং সন্তোষজনক জবাব না পেলে তার নামে নেয়া হবে ব্যবস্থা।
Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.